সোমবার ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ভোর ৫:০৯
শিরোনামঃ
১৬ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের ‘জীবন্ত প্রতীক’সানজিদা ইসলাম তুলি-তারেক রহমান। প্রধান বিচারপতির বাসভবন এলাকায় সভা গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়-সমাবেশ নিষিদ্ধ: ডিএমপি। দক্ষিণ হালিশহর পুরাতন সাইট পাড়ায় ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যের প্রদর্শন নারী–তরুণের সরব উপস্থিতিতে উঠান বৈঠক,গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ডাক ক্রিস্টি নোয়েমের পদত্যাগ ও অভিশংসনের দাবি আরো জোরালো হচ্ছে ইমিগ্রেশনে ‘সুখবর’ আসছে শিগগির বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফ্লোরিডা ইউএসএ’র মেলা কমিটি ঘোষণা অপরাধী গ্রেফতার || গভর্নর মেয়র ক্ষুব্ধ || ব্রুকলিনে হিজাব পরা তিন নারীকে আক্রমণ বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার ও দোয়া মাহফিল ১ মার্চ ২০২৬,রবিবার ডিস্ট্রিক্ট-৩৬ : বিশেষ নির্বাচনে বিজয়ী হলেন ডায়ানা সরকারী বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫ দিনের ছুটি।

এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগে জানতে পারে ভর্তি প্রক্রিয়াটাই ছিলো ভুয়া

nagarsangbad24
  • প্রকাশিত: আগস্ট, ১৭, ২০২৩, ৯:০৬ অপরাহ্ণ
  • ২৭৯ ০৯ বার দেখা হয়েছে

 

 

এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগে জানতে পারে ভর্তি প্রক্রিয়াটাই ছিলো ভুয়া

যাবতীয় ফি দিয়ে ভর্তি হয়েছেন, কলেজ ইউনিফর্মে নিয়মিত ক্লাস, পরীক্ষা সবকিছুতেই অংশ নিয়েছেন। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে জানতে পারলেন তারা শিক্ষার্থী নন। ভর্তি প্রক্রিয়ায় প্রতারণার শিকার হয়েছেন তারা। ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়া সরকারি শাহ সুলতান কলেজে।

অনলাইনে আবেদন করে ভর্তির সুযোগ পায়নি রাশেদুল হক, মিলন হাসান, উম্মে হাবীবা ও শারমিন আক্তার। পরে তাদের থেকে বগুড়ার সরকারি শাহ সুলতান কলেজে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে অফলাইনে ভর্তি করানোর প্রলোভন দেখিয়ে টাকা নেন কলেজের দুই কর্মচারী হারুন মিয়া ও আব্দুল হান্নান। শিক্ষার্থীদের কলেজ প্যাডে দেওয়া হয় ভর্তির রশিদ। এই দুই বছরে কলেজের নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নেন তারা। পরে এইচএসসির ফরম পূরণসহ বিভিন্ন ফি’র নামে তাদের কাছ থেকে আদায় করা হয় ১৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা। কিন্তু পরীক্ষার আগে আর প্রবেশপত্র পায়নি এ চার পরীক্ষার্থীসহ অন্তত ১৫ জন।

বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগে তারা জানতে পারে ভর্তি প্রক্রিয়াটাই ছিলো ভুয়া।

জানা যায়, সর্বশেষ এই শিক্ষার্থীদের থেকে এইচএসসির ফরম পূরণ বাবদও ৫ হাজার টাকা করে নেন মাস্টাররোলের কলেজ কর্মচারী হারুন। কলেজের অন্যান পরীক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র পেলেও তাদেরটা আসেনি। হারুনের কাছে প্রবেশপত্র বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি টালবাহানা করতে থাকেন। পরীক্ষার আগেই প্রবেশপত্র দিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে পরীক্ষা শুরুর পর জানতে পারেন তারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

এ ঘটনার পরপরই প্রধান অভিযুক্ত সরকারি শাহ সুলতান কলেজের অফিস সহায়ক হারুন পালিয়ে যায়। তবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন প্রতারণার ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন আরেক অভিযুক্ত কলেজের কর্মচারী আব্দুল হান্নান।

ভুক্তাভোগী শিক্ষার্থী মিলন হাসান বলেন, বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত শ্রমিকের কাজ করে দিনে কলেজ ও পড়াশোনা করতাম। হারুন ও হান্নান মিলে এই দুই বছরে আমার থেকে অন্তত ৩০ হাজার টাকা নিয়েছে। এই কলেজেই দুই বছর নিয়মিত ক্লাস করেছি ও পরীক্ষা দিয়েছি। সবই ছিল ভুয়া। জীবনের সব শেষ হয়ে গেল।

আকে ভুক্তভোগী উম্মে হাবিবা বলেন, এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে হারুনের কাছে টাকা দিয়েছিলাম। কলেজ ড্রেস, ব্যাচ, রোল নম্বর সবই আছে। কলেজের রশিদে এতদিন সব কাজ হয়েছে। পরীক্ষার সময় জানলাম আমি শিক্ষার্থীই নয়! এর সুষ্ঠ বিচার চাই। আমাদের জীবন নষ্ট হয়েছে এর দায় কে নেবে?

অভিযোগ স্বীকার করে কলেজের অফিস সহায়ক আব্দুল হান্নান বলেন, একজনের ভর্তির টাকা নিয়েছিলাম। সব টাকাই হরুনকে দিয়েছি। এটাই আমার ভুল।

আরেক অভিযুক্ত হারুনের সঙ্গে কথা বলতে তার মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।

সরকারী শাহ সুলতান কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফসর রেজাউন নবী বলেন, অন্তত ১৫ শিক্ষার্থীর প্রতারণার খবর শুনেছি। বিষয়টি ঘৃণ্য অপরাধ। শেষ মুহূর্তে আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য কিছুই করতে পারিনি। জড়িতদের চিহ্নিত করে সর্বচ্চো শাস্তি দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের আগামীতে করণীয় নিয়েও আমরা বোর্ডের সঙ্গে কথা বলবো।

এ বিভাগের আরও খবর...

পুরাতন খবর

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭  

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭  
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | নগর সংবাদ
Design & Developed BY:
ThemesCell