বুধবার ৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ দুপুর ১২:৫৬
শিরোনামঃ
কোনো ভাইয়ের রাজনীতি করিনি, দলকে ভালোবেসে দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছি-মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন সরকার নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে, কোনো সন্দেহ নেই- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতন বিমানের (এম ডি)স্ত্রী সহ গ্রেফতার। দায়িত্ব পালনে নাগরিকবান্ধব আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ -সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান। মানবিক সহায়তা এবং সুরক্ষা সেবায় রোহিঙ্গাদের জন্য ১০ লাখ ডলার সহায়তা দিলো নরওয়ে ঢাকা উত্তর সিটি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা। সোনারগাঁওয়ে খেলাফত মজলিস মনোনীত রিক্সা প্রতীকের এমপি প্রার্থী শাহজাহান শিবলীর জনসভা ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে একযোগে রোটারির উদ্যোগ মধ্যমগ্রামে বর্ণাঢ্য ‘স্বর্ণ কণা অলিম্পিয়াড ২০২৫’ পুরস্কার বিতরণী শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় ছাত্রলীগ নেতা রুবেলের স্বীকারোক্তি। বিএনপি ছাড়া বাংলাদেশকে সঠিকভাবে পরিচালনা করার রাজনৈতিক দল নেই-

প্রকাশ্য দিবালোকে ‘গ্রেনেড হামলায় মানুষ হত্যা কোন ধরনের গণতন্ত্র ছিল?’-প্রধানমন্ত্রী।

nagarsangbad24
  • প্রকাশিত: আগস্ট, ২১, ২০২১, ৮:১১ অপরাহ্ণ
  • ৩৬৩ ০৯ বার দেখা হয়েছে

নগর সংবাদ।। ২১ আগস্ট নারকীয় গ্রেনেড হামলার দুঃসহ স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশ্ন রেখেছেন, ‘গ্রেনেড হামলায় মানুষ মারা কোন ধরনের গণতন্ত্র ছিল?’ শনিবার (২১ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভায় তিনি এমন প্রশ্ন করেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আক্রমণকারীদের রক্ষার জন্য সেদিন ভয়াবহতার মধ্যেই পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানেগ্যাস ছুড়েছে। সব আলামত সিটি করপোরেশনের গাড়িতে পানি এনে ধুয়ে নষ্ট করা হয়েছে। একটা গ্রেনেড অবিস্ফোরিত থেকে যায়, সেটিও সংরক্ষণের কথা বলায় একজন অফিসারকে ধমকানো হয়। পরে তাকে নির্যাতনও করা হয়েছে। সরকারের সহযোগিতা না থাকলে তো এমন হতে পারে না।’ তিনি বলেন, ‘ওইদিন রাত ১১টায় সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সে চারজনকে দেশ থেকে বাইরে পাঠিয়ে দেন খালেদা জিয়া (তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী)। তার মধ্যে তাজউদ্দীনও ছিল। শোনা যাচ্ছে, তখন কর্নেল রশিদ ও ডালিম ঢাকায় এসেছিল। তাদের রক্ষা করে খালেদা জিয়া। যখন তারা জানলো- আমি মরি নাই। তখন দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনও জড়িত ছিল।’

২১ আগস্টের ক্ষেত্র তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আগস্ট মাস আসেই শোক, ব্যথা ও বেদনা নিয়ে। ১৫ আগস্ট জাতির পিতা, আমার ভাই-বোনসহ সবাইকে হারালাম। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আমাদের চরম যন্ত্রণা ও কষ্টের। বিএনপির অত্যাচারটা শুরু হয়েছিল ২০০১ সালের ১ অক্টোবর থেকেই। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মতোই নির্যাতন শুরু করেছিল।’ ‘বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর হামলা হলো। আমরা সেটার প্রতিবাদ করলাম। সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশ ডাকলাম। মুক্তাঙ্গনে সভা হওয়ার কথা ছিল, অনুমতি দেয়নি। মধ্যরাতে পার্টি অফিসের সামনে করার অনুমতি দিলো। তখনই সন্দেহ হলো কেন এতো রাতে অনুমতি দিলো। প্রকাশ্য দিবালোকে এভাবে গ্রেনেড হামলা করে মানুষ হত্যা করবে, তা কখনো ভাবিনি’ যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘আমি বাবার পথ ধরেই এ দেশের মানুষের জন্য কাজ করছি। গ্রেনেড, বোমা, বুলেট দিয়ে বারবার হত্যাচেষ্টা হয়েছে। আল্লাহর রহমতে নেতাকর্মীরা আমাকে বাঁচিয়েছেন।’ বিএনপির সমালোনা করে শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘তারা গুম-খুনের কথা বলে। তাদের হারিছ চৌধুরী, সালাউদ্দিনসহ আরও কে কে গুম হয়েছে বলে বেড়ায়। পরে বিদেশে খোঁজ পাওয়া যায়। কেউ ভারতে, লন্ডনে বা আমেরিকায়। আসলে তারা নিজেরা নিজেদের গুম করে রাখে। এটাও এ দেশে ঘটে, দুর্ভাগ্য।’ সভায় ২১ আগস্ট নারকীয় গ্রেনেড হামলার স্মৃতিচারণ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, কার্যনির্বাহী সদস্য ও বিএমএ’র সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী প্রমুখ।

এ বিভাগের আরও খবর...

পুরাতন খবর

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭  

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭  
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | নগর সংবাদ
Design & Developed BY:
ThemesCell