সোমবার ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ দুপুর ১:৪৫
শিরোনামঃ
১৬ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের ‘জীবন্ত প্রতীক’সানজিদা ইসলাম তুলি-তারেক রহমান। প্রধান বিচারপতির বাসভবন এলাকায় সভা গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়-সমাবেশ নিষিদ্ধ: ডিএমপি। দক্ষিণ হালিশহর পুরাতন সাইট পাড়ায় ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যের প্রদর্শন নারী–তরুণের সরব উপস্থিতিতে উঠান বৈঠক,গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ডাক ক্রিস্টি নোয়েমের পদত্যাগ ও অভিশংসনের দাবি আরো জোরালো হচ্ছে ইমিগ্রেশনে ‘সুখবর’ আসছে শিগগির বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফ্লোরিডা ইউএসএ’র মেলা কমিটি ঘোষণা অপরাধী গ্রেফতার || গভর্নর মেয়র ক্ষুব্ধ || ব্রুকলিনে হিজাব পরা তিন নারীকে আক্রমণ বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার ও দোয়া মাহফিল ১ মার্চ ২০২৬,রবিবার ডিস্ট্রিক্ট-৩৬ : বিশেষ নির্বাচনে বিজয়ী হলেন ডায়ানা সরকারী বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫ দিনের ছুটি।

বিএনপির সাবেক এমপি জিয়াউলকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা- ঘোষণা বি এন পির ক্ষোভ,কুশপুতুল দাহ

nagarsangbad24
  • প্রকাশিত: ডিসেম্বর, ২, ২০২৩, ২:৫২ পূর্বাহ্ণ
  • ১৯৭ ০৯ বার দেখা হয়েছে

 

বিএনপির সাবেক এমপি জিয়াউলকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা- ঘোষণা বি এন পির ক্ষোভ,কুশপুতুল দাহ

বগুড়া প্রতিনিধি।।

বিএনপির সাবেক এমপি জিয়াউলকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা- ঘোষণা বি এন পির ক্ষোভ বিএনপির সাবেক এমপি জিয়াউলকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, কুশপুতুল দাহ বগুড়া: বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসন থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র উত্তোলন ও জমা দিয়েছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ডা. জিয়াউল হক মোল্লা। বুধবার (২৯ নভেম্বর) কাহালু উপজেলা সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. মেরিনা আফরোজের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। এদিকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর থেকে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাকে জাতীয় বেইমান আখ্যা দিয়ে এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। সন্ধ্যার পর কাহালু উপজেলার নারহট্ট ইউনিয়ন, জামগ্রাম ইউনিয়ন ও নন্দীগ্রাম পৌর শহরের একাধিক স্থানে দলের বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা জিয়াউল হক মোল্লার কুশপুতুল দাহ করেন। জানা গেছে, জিয়াউল হক মোল্লার গ্রামের বাড়ি বগুড়া কাহালু উপজেলার দেওগ্রামে। তিনি বগুড়া শহরের মালতিনগরে বসবাস করেন। তার বাবা আজিজুল হক মোল্লা বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য ছিলেন। তার মৃত্যুর পর ১৯৯৪ সালে অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন জিয়াউল হক মোল্লা। এরপর তিনি ১৯৯৬ সালে ষষ্ঠ ও সপ্তম জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনেও বিএনপির প্রার্থী হয়ে এক লাখ ১৪ হাজার ৮১৪ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন জিয়াউল হক মোল্লা। বগুড়া জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও বগুড়া-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন জানান, জিয়াউল হক মোল্লা বিএনপি থেকে চারবার নির্বাচন করে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। সে সময় সমস্ত সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। দল ক্ষমতায় থাকতে ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন। গাড়ি-বাড়ি টাকা-পয়সা কামিয়েছেন। এরপরও একাধিকবার তিনি দলের সঙ্গে বেইমানি করেছেন। তিনি বলেন, ওয়ান-ইলেভেনে জিয়াউল হক মোল্লার মতো কিছু নেতা দলের যে ক্ষতি করেছেন সেই খেসারত আজও বহন করছে বিএনপি। গোটা দেশবাসী যখন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে গণআন্দোলন করছে, ঠিক সেই সময় আবারও জাতির সঙ্গে বেইমানি করে জিয়াউল হক মোল্লা সরকারের সঙ্গে হাত মেলালেন। মোশারফ হোসেন মনে করেন আওয়ামী লীগের ডামি প্রার্থী হিসেবে এ নেতা আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করছেন। কাহালু-নন্দীগ্রামবাসী ইতোমধ্যেই বেইমান এ নেতাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ বিভাগের আরও খবর...

পুরাতন খবর

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭  

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭  
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | নগর সংবাদ
Design & Developed BY:
ThemesCell