রবিবার ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ দুপুর ১:৪৯
শিরোনামঃ
কাশিমপুর ভান্ডারিয়া দরবার শরীফের ৩২ তম ওরশ উৎসব ও গুণীজন সংবর্ধনা ২০২৫ । তারেক রহমানের দেশে ফেরার নিয়ে সরকারের কোন বিধিনিষেধ নেই -প্রেস সচিব শফিকুল আলম। দেশে গণহত্যার বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন তিনটিই গুরুত্বপূর্ণ-নারায়নগন্জে জোনায়েদ সাকি। ৩ বার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন – প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের রূপরেখার ৩১ দফা বাস্তবায়নে নারায়ণগঞ্জ বন্দরে বিএনপির জনসভা। মানিকগঞ্জ সহ সারাদেশে বাউলদের উপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ-প্রধান উপদেষ্টার। নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁওয়ে গৃহবধুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা -স্বামী আটক।। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত মাত্রা ৩ দশমিক ৬। সদর থানা পুলিশ কতৃক মিথ্যা মামলা দায়ের করায় প্রতিবাদ সমাবেশ করেন -কৃষক দল। নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটির মাসিক মূল্যায়ন সভা অনুষ্ঠিত।

১২৬ জন বিডিআরের কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তিলাভ

nagarsangbad24
  • প্রকাশিত: জানুয়ারি, ২৩, ২০২৫, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
  • ১৫৪ ০৯ বার দেখা হয়েছে

 

 

 

১২৬ জন বিডিআরের কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তিলাভ

মেহেদী হাসান তুষারঃ কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন বিডিআরের ১২৬ জন গাজীপুর: ২০০৯ সালে রাজধানীর পিলখানায় হত্যাকাণ্ড নিয়ে দায়ের হওয়া বিস্ফোরক আইনের মামলায় গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১২৬ জন মুক্তি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার মধ্যে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এর সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর হত্যাকাণ্ডে দায়ের হওয়া বিস্ফোরক আইনের মামলায় বৃহস্পতিবার ভোরে ১২৬ জনের মুক্তির আদেশ কারাগারে এসে পৌঁছায়। পরে তা যাচাই-বাছাই শেষে ১২৬ জনকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

 

এরমধ্যে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ থেকে ২৪ জন, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে ৮৯ জন এবং কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১৩ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের (বর্তমানে বিজিবি) বিদ্রোহী জওয়ানরা সংস্থাটির সদর দপ্তর রাজধানীর পিলখানায় নারকীয় তাণ্ডব চালায়। তাদের হাতে প্রাণ হারান ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন। এই বিদ্রোহের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি ও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। দুই কমিটির প্রতিবেদনে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার বিচার সেনা আইনে করার সুপারিশ করা হলেও তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার প্রচলিত আইনে বিচার করে।

 

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় দুটি ফৌজদারি মামলা করা হয়। এর একটি ছিল হত্যা মামলা আর অন্যটি বিস্ফোরক আইনের মামলা। খুনের মামলায় ৮৫০ জনের বিচার শেষ হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর। এতে ১৫২ জনের ফাঁসি, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আর ২৭৮ জন খালাস পান। ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর এই মামলায় হাইকোর্টের আপিলের রায় হয়। অপরদিকে বিস্ফোরক মামলায় ৮৩৪ জন আসামি রয়েছেন। হত্যা মামলার সঙ্গে এটিরও বিচার কাজ শুরু হয়েছিল ২০১০ সালে। কিন্তু মাঝপথে শুধু হত্যা মামলার সক্ষ্য উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। বিস্ফোরক মামলার সাক্ষ্য উপস্থাপন করেনি। এক পর্যায়ে বিস্ফোরক মামলার কার্যক্রম এক প্রকার স্থগিত করে দেয় রাষ্ট্রপক্ষ। যে কারণে মামলাটির বিচারকাজ শেষ হতে বিলম্ব হয়।

এ বিভাগের আরও খবর...

পুরাতন খবর

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | নগর সংবাদ
Design & Developed BY:
ThemesCell