নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি(আড়াইহাজার)
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে দুপ্তারা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আড়াইহাজার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ঢাকার কাফরুল থানায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র জনতার ওপর গুলি চালানোর অভিযোগসহ বিএনপি নেতাদের ওপর হামলার মতো গুরুতর মামলা রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকার কাফরুল থানায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র জনতার ওপর গুলি চালানোর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সেলিম মিয়া ৪২ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে সহিংসতা ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ২০২২ সালের ২৩ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার গোপালদী পৌরসভার রামচন্দ্রদী ব্রীজের ঢালে বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায়ও সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।
মামলার বাদী মো. রতন (২৮) অভিযোগ করেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, সাবেক ছাত্রদল সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মোহাম্মদ জুয়েল সাংগঠনিক কাজ শেষে বিশ্বনন্দী ফেরিঘাট হয়ে ঢাকা ফেরার পথে হামলার শিকার হন। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, বিকেল ৫টার দিকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সেলিম মিয়াসহ অন্যান্য আসামিরা গাড়ি ভাঙচুর করেন। এ সময় প্রায় ১০ লাখ টাকা এবং আনুমানিক ৩ লাখ টাকার ৭-৮টি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। হামলাকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে বিএনপি নেতাদের মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়। তাদের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় সাবেক এমপি মো. নজরুল ইসলাম বাবু (৬০), সাবেক মেয়র হালিম সিকদার (৬২), তৌসিফ সিকানার (২৭), ফয়সাল মোল্লা (৩৪) সহ এজাহারভুক্ত ১৮২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ২০০-২৫০ জনকে আসামি করা হয়। আড়াইহাজার থানার সাব-ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ মাহাবুর রহমান বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে সেলিম মিয়ার ঘটনায় জড়িত থাকার যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেল হাজতে আটক রাখা প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার পেছনে কারা মদদ দিয়েছে এবং মূল উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আসামি কে জেল হাজতে প্রেরণ করেন অতিরিক্ত চীফ জুডি ম্যাজেস্টিত জনাম মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাসুম আসামি সেলিম কে না মনজুরুল করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন বাদী পক্ষের এডঃ টুটুল চৌধুরী
ও এইচ এম আনোয়ার প্রধান