বই পাড়ায় – বই মেলা ২০২৫ শুভ সূচনা করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়।
“সম্পা দাস,সম্পাদক, নগর টিভি, দৈনিক নগর সংবাদ, নগর সংবাদ ২৪ ডটকম “”কলকাতা বু্রো,,
১লা এপ্রিল মঙ্গলবার, ঠিক বিকেল সাড়ে চারটায়, কলেজ স্কোয়ার , বিদ্যাসাগর উদ্যানে, পাবলিশার্স এন্ড বুক সেলার্স গিল্ডের উদ্যোগে এবং কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের সহযোগিতায়, এই বই মেলার শুভ সূচনা হয়,
এই বই মেলা চলবে, ১লা এপ্রিল থেকে ৭ই এপ্রিল পর্যন্ত, প্রতিদিন দুপুর তিনটা থেকে রাত্রি আটটা পর্যন্ত সকল দর্শক ও বইপ্রেমীদের জন্য খোলা থাকবে
বইমেলার শুভ সূচনা করেন উদ্ধোধনী সংগীত ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে, উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের মেয়র ইনকাউন্সিল ও বিধায়ক দেবাশীষ কুমার, বিখ্যাত কবি ও লেখক জয় গোস্বামী, শ্রীজাত বন্দোপাধ্যায়, কবি সুবোধ সরকার,
সাহিত্যিক শ্রীমতি বিনতা রায় চৌধুরী, যাহার পরিচালনায় এই সুন্দর বইমেলার আয়োজন চল্লিশ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শ্রীমতি সুপর্ণা দত্ত , উপস্থিত ছিলেন পাবলিশার্স এন্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সভাপতি ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়, সেক্রেটারী সুধাংশু শেখর দে সহ গিল্ডের বিভিন্ন সদস্যরা। এরপর মঞ্চে উপস্থিত সকল অতিথিবৃন্দদের উত্তরীয় পরিয়ে ও হাতে একটি করে চারাগাছ দিয়ে সম্মানিত করেন।
কলকাতা বইমেলার পর, বই পাড়ায় শুরু হল এই বইমেলা, ৫৫ থেকে ৬০ টি স্টল এই বইমেলায় রয়েছে এবং ৭০টির বেশি পাবলিশার্স অংশগ্রহণ করেছেন। এই বই মেলায় ইংরেজি ও বাংলা বইয়ের সমাহার রয়েছে।
শুধু তাই নয় এই বইমেলায় বিশেষ সুযোগ হচ্ছে বেশি ডিসকাউন্টে বই সংগ্রহ করা এবং পছন্দ সই বই কেনা সুযোগ থাকছে, কারণ কলকাতা বইমেলায় যে পরিমাণ ভিড় হয় তাতে বইপ্রেমীরা বই সংগ্রহ করতে পারেন না,
তাই এই মেলা থেকে তাদের সংগ্রহ করার সুযোগ থাকছে। রয়েছে নামিদামী পাবলিশার্স ও তাহাদের বই। এই বইমেলায় বই কিনলে কুড়ি থেকে 30% এরও বেশি ছাড় পাবেন বলে জানান। এখানে কোন পারসেন্টেজের বাধা ধরা থাকছে না।
এই বইমেলায় প্রতিবছর এক একটি নামকরণের মধ্য দিয়ে শুরু হতো, কিন্তু এইবারে সবকিছু পরিবর্তন করে নাম দিয়েছেন বই পাড়ার বইমেলা এটি তেরো তম বর্ষে পদার্পণ করলো,তবে এবারের বইমেলায় উপস্থিত অতিথিরা বেশ কিছু কথা উত্থাপন করেন, সাহিত্যিক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় বলেন এটা বই পার্বণ নাম দেওয়া উচিত। কবি সুবোধ সরকার বলেন একটা দিন যদি বই বাজার নাম দেওয়া যায়, যাতে স্কুল কলেজের ছেলেমেয়েরা কম পয়সায় বই কিনতে পারেন ,
কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র ইনকাউন্সিল ও বিধায়ক দেবাশীষ কুমার বলেন এটা একটা চৈত্র ছেলের মত নির্দিষ্ট কোন পার্সেন্টেজ বাঁধা নেই, তবে এইরকম একটি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সকল অতিথিরা, জাতে সবার বই কেনার সুযোগ থাকে,
এবং এই জায়গায় বইমেলা হওয়ার ফলে বহু লেখক লেখিকা এবং নতুন প্রজন্মের কবি ও লেখক রাও উপস্থিত হবেন বলে জানান, তবে এটি বই পাড়ার ঐতিহ্য স্থান, এবং বইপ্রেমীদের আকর্ষণীয় স্থান, এমনকি এটি সাহিত্য প্রেমীদের জন্য একটি প্রাণবন্ত কেন্দ্র, যেখানে প্রতিদিন সাহিত্যিক কবিরা আসেন।
অবশেষে উপস্থিত অতিথিরা একটি কথাই বারবার তুলে ধরলেন, বই পড়ুন, বই পড়ান, আরেকজনকে বই উপহার দিন, পড়াশুনার ফাঁকে কিছুটা সময় গল্পের মধ্যে সময় কাটান,
এবং ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের উদ্দেশ্যে তাহার মাদেরকে বলেন, এরা শুধু ছেলে মেয়েদের স্কুলের বইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখবেন না মাঝে মাঝে দু একটা গল্পের বই পড়ান,
এবং আপনারাও পড়ুন, বই কারো ক্ষতি করেনা, মনকে ভালো রাখে, বৃদ্ধ বয়সে বই আপনাকে মনের সান্তনা দেয়। মন কি ভালো রাখতে সাহায্য করে।
“সম্পা দাস,সম্পাদক, নগর টিভি, দৈনিক নগর সংবাদ, নগর সংবাদ ২৪ ডটকম “”কলকাতা বু্রো,,