স্টাফ রিপোর্টার।।
দেশব্যাপী গৌরবের ৫৫তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ‘বিজয়ের মাসে বিজয় মশাল রোড শো’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচির বিস্তারিত ঘোষণা দেন
বিজয়ের মাসে দেশজুড়ে ‘বিজয় মশাল রোড শো’ কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির
বিজয়ের মাসে দেশজুড়ে ‘বিজয় মশাল রোড শো’ কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
দেশব্যাপী গৌরবের ৫৫তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ‘বিজয়ের মাসে বিজয় মশাল রোড শো’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচির বিস্তারিত ঘোষণা দেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে দীর্ঘ দেড় দশক শোষণ-নিপীড়নের পর ২০২৪ সালে ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ’ পাওয়ার বিজয়ের সঙ্গে এবারের বিজয় দিবস নতুন তাৎপর্য নিয়ে এসেছে। এ জাতীয় অর্জনকে আরও বর্ণিল করতে বিএনপি সারাদেশে মাসব্যাপী নানা আয়োজন হাতে নিয়েছে।
তিনি বলেন, ঐতিহাসিক কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র যেখান থেকে ১৯৭১ সালে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন সে স্থান থেকেই শুরু হবে এবারের ‘বিজয় মশাল রোড শো’। ১ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের কালুরঘাট থেকে যাত্রা শুরু করে মশাল প্রথম দিন পৌঁছাবে চট্টগ্রামের বিপ্লব উদ্যানে। মশাল বহন করবেন একজন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা এবং ২০১৪ সালের একজন জুলাইযোদ্ধা।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, এ মশাল রোড শো পর্যায়ক্রমে কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ, বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি বিভাগে দুইজন, একজন মুক্তিযোদ্ধা ও একজন জুলাইযোদ্ধা মশাল বহন করবেন। রোড শো চলাকালে বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন, জাতীয় সংগীত, মুক্তিযুদ্ধের গান, জাসাসের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ডকুমেন্টারি প্রদর্শন এবং বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি জনগণের সামনে উপস্থাপন করা হবে। এবারের কর্মসূচির থিম সং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।
১৬ দিনব্যাপী দেশব্যাপী ভ্রমণ শেষে বিজয় মশাল ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় পৌঁছবে এবং রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ‘বিজয়ের মাসে বিজয় মশাল রোড শো’।
তিনি বলেন, ১৯৭১ থেকে শুরু করে ২০২৪ পর্যন্ত স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতিটি বাঁকে লাখো মানুষ প্রাণ দিয়েছেন। শহীদদের স্বপ্ন পূরণে আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণের সামনে বড় সুযোগ