রাজ্যের এগারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবিলম্বে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের দাবীত- একটি প্রেস কনফারেন্স
””সম্পা দাস,–সম্পাদক,দৈনিক নগর সংবাদ,নগর সংবাদ ২৪ ডটকম,নগর টিভি,(ভারত) কলকাতা ব্যুরো”””
৭ই জানুয়ারি বুধবার, রাজ্যের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য না থাকায়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলির যে দশা, এবং রাজ্যের ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য স্থায়ীভাবে নিয়োগের দাবীতেই প্রেস ক্লাবে একটি প্রেস কনফারেন্স করলেন, ৬ই জানুয়ারি বিকেল তিনটায়। এই কনফারেন্স কে কেন্দ্র করেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকারা উপস্থিত হন। এবং বেশ কয়েকটি দাবী তাহারা সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন।

এই প্রেস কনফারেন্সে, সকল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে জে ইউ টি এ, সি ইউ টি এ, আর বি ইউ টি এ, বি ইউ টি এ, ভি ইউ টি এ, এন বি ইউ টি সি, ডব্লু বি এস ইউ টি এ, আর ইউ টি এ, ইউ বি কে ভি এস এস, এন এস ও ইউ টি এ, টিচার্স অফ প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, কল্যাণী ইউনিভার্সিটি সহ অন্যান্যরা।

আজকের এই প্রেস কনফারেন্স থেকে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কথা তুলে ধরলেন, তাহারা বলেন সারা জীবন কাজের শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, শিক্ষা শিক্ষার্থী, শিক্ষা কর্মীদের অবসরকালীন সুযোগ সুবিধা থেকে যেভাবে বঞ্চিত করা হচ্ছে এবং গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে আমরা বিপদের সম্মুখীন হতে চলেছি। সরকার হঠাৎ করে নিয়ম-নীতি বদলে সেই অধিকারে হস্তক্ষেপ করছে, বিপুল ক্ষতির মুখে ফেলার চেষ্টা করছেন, অনেকেই যারা বেতন সহ আর্থিক ক্ষতি স্বীকার করে অবসরকালীন সুযোগ সুবিধার কথা ভেবে এসেছিলেন ,তারা আজ বিপদের সম্মুখীন।, এমনকি নতুন প্রজন্মের ছাত্র-ছাত্রী গবেষকও এই কাজে আসার উৎসাহ হারাবেন বলে জানালেন। কারণ এমনিতেই কেন্দ্রীয় বেতন কাঠামোর তুলনায় এখানে বেতনের হার অনেক কম। কিন্তু সরকার পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন এখন কোন কিছু করা যাবে না। এমনকি গ্যাজুটির ক্ষেত্রেও বলা হয়েছে ,প্রাপ্য টাকার চার ভাগে তিন ভাগ দেওয়া হবে, তাহলে বাকী একভাগ কে দেবেন, কোন শর্তে দেবেন আমাদেরকে কিছুই জানানো হচ্ছে না , তাই আমরা এর প্রতিবাদে এবং বিভিন্ন দাবী নিয়ে আজকের এই প্রেস কনফারেন্স ডেকেছি। আমরা কোনভাবেই সরকারের এই নিয়ম মানবো না, আমাদের ন্যায্য মাইনে এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে।
আমাদের দাবীগুলি হল—
কোনভাবে এমপ্লয়ার হিসেবে, বিশ্ববিদ্যালয় এর কাছ থেকে পেনশন, গ্রাজুয়েট, লিভ ইনকেসমেন্ট অনুমোদনের অধিকার কেড়ে নেয়া চলবে না।
কোন অজুহাতেই পেনশন, গ্রাজুয়েটি, লিভ এনগেজমেন্ট এর টাকা কাটা চলবে না, অবসরকালীন সময়ে প্রাপ্য ১০০ শতাংশ টাকা সংশ্লিষ্ট এমপ্লয়কে দিতে হবে ,গ্রাজুয়েট এর ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের সুপ্রিম কোর্টের অবজারভারকে মান্যতা দিতে হবে।
ডিপিপিজি এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের পেনশন দেবার ফরমার বাতিল করতে হবে।
পেনশন কমিউট সহ চালু ব্যবস্থা কোনভাবে বাতিল করা যাবে না।
৩১ শে জানুয়ারি ২০০০ সালে শিক্ষা দপ্তরের ৮৫ নম্বর সার্কুলেশনের ১০ নম্বর অনুচ্ছেদ বাতিল করতে হবে।

এর পাশাপাশি অদ্যাবধি পশ্চিমবঙ্গের যে ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নাই অবিলম্বে উপাচার্য নিয়োগ করে সেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে অচলাবস্থা থেকে দূর করতে হবে।
আজকের এই প্রেস কনফারেন্স থেকে পরিষ্কার ভাবে তাদের দাবিগুলি জানিয়ে দেন। অন্যথায় তারা আরো আন্দোলনে নামবেন,
