শনিবার ৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল ১০:০২
শিরোনামঃ
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঢাকায় নিযুক্ত কূটনীতিকদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার অনুষ্ঠানে’ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ-প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোগরাপাড়া চৌরাস্তা নিয়ে সোনারগাঁও উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার ফেসবুকে স্ট্যাটাস। গোবরডাঙ্গায় সাংবাদিক কে হত্যার চেষ্টায় হামলার মূল অভিযুক্ত দুষ্কৃতী আসামি গ্রেফতার না হওয়ার সাংবাদিক মহলে ক্ষোভ। মহাসমারোহে পালিত হল বসন্ত উৎসব ২০২৬ রাধাকৃষ্ণের চরণে আবির ও মাল্যদান। প্রতিবন্ধী ঐক্য মঞ্চের ডাকে, মানবিক ভাতা বৃদ্ধির দাবীতে অবস্থান-বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন। প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক অভিযান সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে কর্মচারীদের অনুপস্থিতিঅনিয়মের প্রমাণে-৩ কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিক বদলি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর সোনারগাঁওয়ে অবৈধ দোকান ও ফুটপাট দখলমুক্ত করতে উপজেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান নবদ্বীপে গৌড়ীয় মঠে মহা ধুমধামে পালিত শ্রীচৈতন্যের আবির্ভাব মহোৎসব। রাজর্ষি দাস’সোনালী কর,উদ্যোগে ক্রিয়েটিভ বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের পরিচালনায় সোনাঝুরির হাট ও নগরমেলায় বসন্ত উৎসব অনুষ্ঠিত।

লাঙ্গলবন্দে ব্রহ্মপুত্রে নদে মহাতীর্থ স্নান উৎসব শুরু

nagarsangbad24
  • প্রকাশিত: এপ্রিল, ৫, ২০২৫, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
  • ১৮১ ০৯ বার দেখা হয়েছে

 

 

 

লাঙ্গলবন্দে ব্রহ্মপুত্রে নদে মহাতীর্থ স্নান উৎসব শুরু

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি(বন্দর) : নারায়ণগঞ্জ বন্দর মুছাপুর ইউনিয়নের লাঙ্গলবন্দ ব্রহ্মপুত্র নদে শুক্রবার দিবাগত রাত ২ টা ৮ মিনিট থেকে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহাতীর্থ স্নান উৎসব। সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের পাপমোচনে স্নানোৎসব শেষ হবে আগামীকাল শনিবার রাত ১২ টা ৫১ মিনিট পর্যন্ত। স্নানোৎসব উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূণার্থীদের নিরাপত্তা বিষয়ে আগাম প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসব এলাকা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

 

ইতিমধ্যে স্নান এলাকায় ২০ টি স্নান ঘাটলায় কাপড় পাল্টানো, চিকিৎসা সেবায় ভ্রাম্যমান কেন্দ্র,শৌচাগার, বিশুদ্ধ পানি সরবারাহ, ও পূণার্থীদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দেড় হাজার সদস্যরা। স্নান এলাকায় টহলে থাকবেন সেনাবাহিনী, র‌্যাব, ব্রহ্মপূত্র নদে টহলে থাকবে নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ড। জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, আগত পূর্ণার্থীদের সুবিধার্থে ১৬০ টি শৌচাগার স্থাপন করা হয়েছে। স্নান এলাকায় নিরাপত্তায় বসানো হয়েছে ওয়াচ টাওয়ার। সিসিটিভির পাশাপাশি পর্যবেক্ষণের জন্য থাকবে ড্রোন।

 

পূর্ণার্থীদের নিরাপত্তা জোর লাঙ্গলবন্দ জুড়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আগাম প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কথিত আছে, তৃতা যোগে অতীতে জমদগ্নি মহামুনির রেনুকা নামে এক রাজবংশীয় পরমাসুন্দরী স্ত্রী ছিল। তাদের ছিল পাঁচ পুত্র। সর্বকনিষ্ঠের নাম ছিল পরশুরাম। ঘটনাক্রমে মার্তিকাবর্ত দেশের রাজাকে সস্ত্রীক জলবিহার করতে দেখে আশ্রমবাসিনী রেণুকা কামস্পৃহ হয়ে পড়েন এবং নিজের পূর্ব-রাজকীয় জীবন সম্পর্কে স্মৃতিবিষ্ট হন। মুনি স্ত্রীর এই আসক্তি দেখে ক্রোধান্বিত হয়ে পাঁচ পুত্রকে তাদের মাতাকে হত্যার নির্দেশ দিলেন। কিন্তু কোন পুত্রই মাতৃহত্যার মতো নিষ্ঠুর কাজ করতে রাজি হলো না। তখন মুনি তার প্রিয় পুত্র পরশুরামকে আদেশ দিলে পরশুরাম এক কুঠারের আঘাতে মাকে হত্যা করেন। মাকে হত্যা করে পরশুরাম পরম পাপী হিসেবে চিহ্নিত হন।

 

পাপের শাস্তি হিসেবে কুঠারটি তার হাতে আটকে থাকে। শত চেষ্টা করেও তা থেকে তিনি মুক্ত হতে পারলেন না। তখন পিতা তাকে বিভিন্ন তীর্থস্থানে গিয়ে পাপমুক্ত হতে বলেন। মাতৃহত্যার ভয়াবহ পাপের অনুশোচনা নিয়ে তিনি তীর্থ থেকে তীর্থে ঘুরে বেড়ান। দেবতা ব্রহ্মপুত্র তখন হিমালয়ের বুকে হ্রদরূপে লুকিয়ে ছিলেন। দৈবক্রমে পরশুরাম ব্রহ্মপুত্রের মাহাত্ম্যের কথা জানতে পারেন। তিনি খুঁজে পেলেন হিমালয়ে লুক্কায়িত ব্রহ্মপুত্র হ্রদ এবং প্রার্থনা জানালেন যেন এর পবিত্র জলে তার পাপ মুক্ত হয়। তিনি হ্রদের জলে ঝাঁপ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাতে আটকে থাকা কুঠারখানা খসে পড়ে।

 

এভাবে তিনি মাতৃহত্যার প্রায়শ্চিত্ত থেকে মুক্ত হলেন। ব্রহ্মপুত্রের এই অলৌকিক শক্তিসম্পন্ন পাপহরণকারী জল যাতে সাধারণ মানুষের উপকারে আসে এ উদ্দেশ্যে পরশুরাম সেই জলধারাকে সমতল ভূমিতে নিয়ে আসার অভিপ্রায় প্রকাশ করেন। তিনি কুঠারখানা লাঙলের ফলকে বেঁধে সেই ফলক দিয়ে নালা সৃষ্টি করে ব্রহ্মপুত্রের পবিত্র জলধারাকে সমতল ভূমিতে নিয়ে আসেন। দীর্ঘ সময় ও পথ পরিক্রমায় পাহাড়-পর্বত পেরিয়ে তিনি ব্রহ্মপুত্রের জলধারাকে বিভিন্ন জনপদ ঘুরিয়ে অবশেষে বর্তমান লাঙ্গলবন্দে এসে ক্লান্ত হয়ে থেমে যান এবং লাঙল চষা বন্ধ করে দেন। তার লাঙলের ফলকে তৈরি পথ ধরে ব্রহ্মপুত্র প্রবাহিত হতে থাকে। সেই থেকে এ স্থানের নাম হয় লাঙ্গলবন্দ এবং তা হয়ে ওঠে হিন্দুধর্মের মানুষের জন্য পরম পুণ্যস্থান। এরপর থেকে পবিত্র ব্রহ্মপুত্র নদের পাড় তীর্থস্থানে পাপ মোচনের ভাসনায় ভ্রমণে আসেন লাঙ্গলবন্দে।

এ বিভাগের আরও খবর...

পুরাতন খবর

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | নগর সংবাদ
Design & Developed BY:
ThemesCell