রবিবার ১লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ দুপুর ১:৩৭
শিরোনামঃ
বিএনপি ছাড়া বাংলাদেশকে সঠিকভাবে পরিচালনা করার রাজনৈতিক দল নেই- সোনারগাঁওয়ে গণঅধিকার পরিষদের এমপি প্রার্থী ট্রাক প্রতীকের ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী’র নির্বাচনী পথসভা, গণমিছিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র এমপি প্রার্থী গোলাম মসীহ’র সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গরীব মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করলো মানব কল্যাণ পরিষদ নওগাঁয় টয়লেট ট্যাংকি থেকে উদ্ধার হওয়া নারীর পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে, ধ’র্ষ’ণের পর হ*ত্যার অভিযোগ। মহাত্মা গান্ধীর ৭৯ তম শহীদ দিবসে,” মনরেগা “বাঁচাও অভিযান, অবস্থান ও সত্যাগ্রহ। চৌহালীতে ১১জোটের ঐতিহাসিক নির্বাচনী জনসভায় জনতার ঢল রংপুরে বিএনপির নির্বাচনী সমাবেশে’গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট চাইলেন-বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান পবিত্র তারাপীঠে আগমন মানেই শুধুই দর্শন নয়-এ এক আত্মিক প্রশান্তির যাত্রা”DELUXE APANJAN GUEST HOUSE যৌথবাহিনীর অভিযানে মাগুরায় দুজনকে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেফতার

শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনার পরেও-একদফা দাবিতে অনড় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

nagarsangbad24
  • প্রকাশিত: এপ্রিল, ২৩, ২০২৫, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
  • ১৩০ ০৯ বার দেখা হয়েছে

 

শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনার পরেও-একদফা দাবিতে অনড় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

খুলনা প্রতিনিধি।।

বুধবার (২৩ এপ্রিল) সকাল দশটায় ক্যাম্পাসে যান শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার। তিনি বারবার অনুরোধ করলেও ভিসির পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

এসময় উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের বলেন, তাদের দাবি মেনে নেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতি শিগগির কমিটি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলবে। তাড়াহুড়ো করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই, কারণ তা আদালতে টেকে না।

অপরদিকে শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা দুই মাস ধরে আন্দোলন করে আসছি। কিন্তু আমাদের দাবি মানা হচ্ছে না। আমরা এই বিষয়ে আর সময় দিতে চাই না। আমরা লাশ হয়ে গেলেও ভিসির পদত্যাগ ছাড়া অনশন ভাঙব না।

আলোচনার পর ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন শিক্ষা উপদেষ্টা। এসময় খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ফিরোজ সরকার ও জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম সঙ্গে ছিলেন।

ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে ১৮ ফেব্রুয়ারি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। পরদিন প্রশাসনিক ভবনসহ সব অ্যাকাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। এরপর ২০ ফেব্রুয়ারি ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ সমাবেশ করে সব রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনকে ‘লাল কার্ড’ দেখান শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে তারা উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করেন। তারপর ২৩ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীরা খুলনা থেকে ঢাকায় এসে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেন। এতে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচার, উপাচার্যের পদত্যাগসহ ছয় দফা দাবি জানানো হয়।

২৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ৯৯তম (জরুরি) সভায় সব আবাসিক হল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরদিন সকাল ১০টার মধ্যে সব শিক্ষার্থীকে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর গত ১৩ এপ্রিল থেকে ভিসির পদত্যাগের এক দফা দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। এছাড়া সোমবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৪টা থেকে আমরণ অনশনে বসেন।

 

এ বিভাগের আরও খবর...

পুরাতন খবর

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭  

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭  
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | নগর সংবাদ
Design & Developed BY:
ThemesCell