মঙ্গলবার ৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত ৮:০৬
শিরোনামঃ
চৌহালী উপজেলা প্রশাসন নগদ অর্থ ও ঢেউ টিন নিয়ে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারের পাশে দাড়ালেন দোল উৎসবে রং ও অন্যান্য সরঞ্জাম সাজিয়ে বসে ক্রেতারা। পাঁচজন সংগ্রামী নারীকে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ সম্মাননা  আজ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে শুনানি শুরু  পেন্টাগন আয়োজিত- – ৬৫ তম চিত্র প্রদর্শনী শুভ সূচনা হলো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা-‘তীব্র নিন্দা’ জানালো চীন। পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে সম্প্রীতি রক্ষায় সব প্রতিষ্ঠানকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে-পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান সংস্কৃতির আলোয় উজ্জ্বল রঘুনাথগঞ্জ — নাট্য উৎসব ২০২৬-এর বর্ণাঢ্য সূচনা সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার সরকারি বাসভবন ‘রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছেড়ে নিজ বাসভবনে ইপিজেডে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

সর্বনাশা পদ্মার গর্ভেবিলিন সিলিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি।

nagarsangbad24
  • প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর, ২৫, ২০২১, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
  • ৫৪০ ০৯ বার দেখা হয়েছে

নগর সংবাদ।। সর্বনাশা পদ্মার গর্ভেবিলিন সিলিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি।

পদ্মার গ্রাসে সিলিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিশুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে  একতলা ভবনটি ভেঙে নদীগর্ভে চলে যায়। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা। ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে চর সিলিমপুর এলাকার মসজিদসহ প্রায় অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি।

চর সিলিমপুর স্কুলটি সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের শহর রক্ষাকারী বাঁধের বাইরে পদ্মাপাড়ে অবস্থিত। এর একতলা ভবনের সঙ্গেই নদী। বিদ্যালয়টিতে শিশুশ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ১০৮ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর পর স্কুল খুললেও বন্যা ও পদ্মার ভাঙন আতঙ্কে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম।

পদ্মার পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতা শুরু হয় চরসিলিমপুর এলাকায়। ফলে ভাঙন আতঙ্কে স্কুলের মূল ভবনে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রেখে পাশের টিনশেডে পাঠদান ও অফিস কার্যক্রম পরিচালনা করে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

 

এদিকে ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কাজ অব্যাহত রাখলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় কম বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় আব্দুর রহমানসহ কয়েকজন বলেন, চর সিলিমপুর স্কুল ওই এলাকার একমাত্র স্কুল। স্কুলটি নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় তাদের সন্তানরা কোথায় পড়ালেখা করবে, বিষয়টি নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

চর সিলিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইমান আলী ফকির বলেন, ভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা স্কুলের মূল ভবনটি আজ ভেঙে পড়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে পাশের টিনশেডটিও অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। স্কুলের মালামাল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রাদি পাশের একটি বাড়িতে রাখা হয়েছে। সেখানেই আপাতত বাচ্চাদের পাঠদান করানো হবে।

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আরিফুর রহমান অঙ্কুর বলেন, নদীর পানি কমতে থাকায় ব্লকের নিচের মাটি সরে গিয়ে চর সিলিমপুর স্কুল এলাকায় প্রায় ১০০ মিটার ধসে গেছে। ভাঙনরোধে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কাজ অব্যাহত আছে।

এ বিভাগের আরও খবর...

পুরাতন খবর

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | নগর সংবাদ
Design & Developed BY:
ThemesCell