সুলতানুল আউলিয়া হযরত মাওলানা সৈয়দ শামসুদ্দিন শাহ্ বোগদাদী রঃ এর ৭২তম বাৎসরিক ওরশ মোবারক উদযাপিত
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি।
শীতলক্ষ্যার সাবেক বাটা কোম্পানি সংলগ্ন বোগদাদী নগরে সুলতানুল আউলিয়া হযরত মাওলানা সৈয়দ শামসুদ্দিন শাহ্ বোগদাদী রঃ এর ৭২তম তিন দিনব্যাপী বাৎসরিক ওরশ মোবারক শুরু হয়েছে।
প্রতিবছর ১ ফাল্গুন থেকে ৮ ফাল্গুন পর্যন্ত এ ওরশ অনুষ্ঠিত হলেও এবার পবিত্র রমজান সামনে থাকায় আয়োজন সংক্ষিপ্ত করে তিন দিনে সীমিত রাখা হয়েছে।
১লা ফাল্গুন শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ০১ মিনিটে গিলাফ চড়ানোর মধ্য দিয়ে ওরশের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। ১ম দিন শনিবার বাদ এশা ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইসুব খান টিপু। এতে প্রধান বক্তা হিসেবে ওয়াজ করেন গোগনগর গাউসুল আজম জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব গাজী ফাইজুল ইসলাম হাফিজ।বিশেষ বক্তা হিসেবে ওয়াজ করেন সুকুমপট্রি জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ রাশেদুল ইসলাম আবেদী।
দ্বিতীয় দিন রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বাদ এশা মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং রাত ১০টায় সামা কাওয়ালীর আয়োজন করা হয়েছে। তৃতীয় ও শেষ দিন সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বাদ এশা আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে ওরশের সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওরশ উপলক্ষে দরবার প্রাঙ্গণে আলোকসজ্জা, আগত ভক্তদের বসার ব্যবস্থা, নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশ-বিদেশের অসংখ্য আশেকান ও ভক্তবৃন্দ প্রতি বছর এ ওরশে অংশ নেন। ওরশের দিনগুলোতে ধর্মীয় আলোচনা, মিলাদ, জিকির-আযকার ও কাওয়ালীর মাধ্যমে আধ্যাত্মিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
গদিনীশিন খাদেমুল গোলাম মোহাম্মদ হোসাইন হ্যাপী বলেন, প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় ওরশ পালনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রমজান ঘনিয়ে আসায় সময়সংকট বিবেচনায় তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভক্তরা শান্তিপূর্ণ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
তিনি আরও জানান, এ বরকতময় ওরশ শরীফে সকলের উপস্থিতি ও আন্তরিক সহযোগিতা কাম্য। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের তিনি পরিবার-পরিজনসহ অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে কাশতি ফাউন্ডেশন। ওরশটি সাবেক বাটা কোম্পানি মাঠ, বর্তমান পাওয়ার হাউজ সংলগ্ন এলাকা, বোগদাদী নগর, শীতলক্ষ্যায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মাহফিল। এতে স্থানীয় ওলামায়ে কেরামগণ বয়ান পেশ করেন। দ্বিতীয় দিন রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বাদ এশা মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং রাত ১০টায় সামা কাওয়ালীর আয়োজন করা হয়েছে। তৃতীয় ও শেষ দিন সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বাদ এশা আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে ওরশের সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওরশ উপলক্ষে দরবার প্রাঙ্গণে আলোকসজ্জা, আগত ভক্তদের বসার ব্যবস্থা, নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশ-বিদেশের অসংখ্য আশেকান ও ভক্তবৃন্দ প্রতি বছর এ ওরশে অংশ নেন। ওরশের দিনগুলোতে ধর্মীয় আলোচনা, মিলাদ, জিকির-আযকার ও কাওয়ালীর মাধ্যমে আধ্যাত্মিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
গদিনীশিন খাদেমুল গোলাম মোহাম্মদ হোসাইন হ্যাপী বলেন, প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় ওরশ পালনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রমজান ঘনিয়ে আসায় সময়সংকট বিবেচনায় তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভক্তরা শান্তিপূর্ণ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
তিনি আরও জানান, এ বরকতময় ওরশ শরীফে সকলের উপস্থিতি ও আন্তরিক সহযোগিতা কাম্য। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের তিনি পরিবার-পরিজনসহ অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে কাশতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এডঃ কাজী রুবায়েত হাসান সায়েম,ইকবাল হোসেন,রাজিব দেব,মিঠু ও মোঃ মাসুদ হোসেন।ওরশটি সাবেক বাটা কোম্পানি মাঠ, বর্তমান পাওয়ার হাউজ সংলগ্ন এলাকা, বোগদাদী নগর, শীতলক্ষ্যায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।