মঙ্গলবার (১৭ জানুযারি) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাবুল আক্তার মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ছিলেন।
মাগুরার মহম্মদপুরে শ্যালো ইজ্ঞিন চালিত নসিমনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে বাবুল আক্তার (৫৫) নামে এক স্কুলশিক্ষক মারা গেছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তার স্ত্রী-ছেলে।
মামা প্রভাষক জিহাদুল ইসলাম জানান, বাবুল আক্তার মৌফুলকান্দি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে মোটরসাইকেলে মহম্মদপুরে যাচ্ছিলেন। তারা লক্ষ্মীপুর এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা কাঠবোঝাই শ্যালোইজ্ঞিন চালিত নসিমনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাবুল অক্তার, তার স্ত্রী এবং সন্তান গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। তবে তিন জনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর দেড় টার দিকে স্কুলশিক্ষক বাবুল আক্তারের মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, বাবুল আক্তারের স্ত্রী জেসমিন আক্তার ভবানিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা এবং ছেলে ফারহানকে পলাবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। তারা বর্তমানে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অশিত কুমার রায় জানান, শ্যালোইজ্ঞিন চালিত নসিমনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে বাবুল আক্তার নামে এক স্কুলশিক্ষক মারা গেছেন। তবে, চালক নসিমনটি নিয়ে পালিয়ে গেছে, তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।