শুক্রবার ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ দুপুর ১২:৪৯
শিরোনামঃ
Logo নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ব্যবসায়ীর বাড়ির দেওয়ালে পোস্টার সাঁটিয়ে ডাকাতির হুমকি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা-আমরা ১৫-৪-২০২৫ তারিখে আসবো, সব কিছু রেডি রাখবি, নইলে কোপ দিমু Logo ৭দিনে সারাদেশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ অভিযানে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং সদস্য এবং মাদক ব্যবসায়ীসহ ৩৪১ জন গ্রেফতার করা হয় Logo থাইল্যান্ডে বিমসটেক ইয়ং জেন ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তরুণদের চাকরিপ্রার্থী না হয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ-প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। Logo একদিকে শিল্পীরা অন্নপূর্ণা প্রতিমার কাজ শেষ করতে ব্যস্ত, অন্যদিকে ঘাটে ঘাটে চলছে চৈত্র ছটপূজা Logo টিকটক ভিডিও করতে গিয়ে ভবনের ছাদ থেকে পড়ে তরুণের মৃত্যু Logo বেদে পল্লিতে শত্রুতার জেরে যুবককে পেটে রড ঢুকিয়ে হত্যা Logo ঈদ উদযাপন শেষে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনায়  বাবা-মেয়ে নিহত  Logo সেনাবাহিনী, অন্তর্বর্তী সরকার, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, অন্যান্য উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিয়েও ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে রিউমর স্ক্যানার। Logo সিরাজগঞ্জ-৬ সংসদীয় আসন পুণর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন Logo চৌহালীতে সিনিয়র বিবাহিত বনাম জুনিয়র বিবাহিত ফুটবল ও পুরস্কার বিতরণ

কোনো কথা ও কাজে ‘ইন শা আল্লাহ’ বলার ফজিলত

nagarsangbad24
  • প্রকাশিত: আগস্ট, ৪, ২০২১, ২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
  • ৩৭২ ০৯ বার দেখা হয়েছে

       
 
  

নগর সংবাদ।।কোনো কথা ও কাজে ‘ইন শা আল্লাহ’ বলার ফজিলত।

ছোট্ট একটি আরবি বাক্য ‘ইন শা আল্লাহ- إِن شَاء اللَّهُ’; ইসলাম ও মুসলমানের জন্য এ বাক্য ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। কেননা আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে আয়াত নাজিল করে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে কোনো কথা ও কাজে ‘ইন শা আল্লাহ’ বলার নির্দেশ দিয়েছেন। ‘ইন শা আল্লাহ’ বলে কথা ও কাজ শুরু করার কারণও আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে এভাবে আয়াত নাজিল করে তুলে ধরেছেন- وَمَا تَشَاؤُونَ إِلَّا أَن يَشَاء اللَّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ ‘তোমাদের কোনো ইচ্ছাই বাস্তবে রূপ নেবে না, যদি না আল্লাহ ইচ্ছা করেন; যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক।’ (সুরা আত-তাকভির : আয়াত ২৯) ভবিষ্যতের কোনো কথা কিংবা কাজ করার আগে ‘ইন শা আল্লাহ’ বলা— ইসলাম ও মুসলমানদের ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ একটি রীতি। এ আয়াত থেকেই প্রমাণিত যে, এটি আল্লাহ তাআলা নিজেই শিখিয়েছেন। অন্য আয়াতে ‘ইন শা আল্লাহ’ বলে কথা ও কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।  মুমিন তার জীবনের প্রতিটি কাজেই আল্লাহকে স্মরণ করবে। কারণ সে তার প্রতিটি কথা ও কাজে একমাত্র আল্লাহর উপর ভরসা করবে; নিজের শক্তি-সামর্থ্য কিংবা অন্যান্য কোনো উপায়-উপকরণের ওপর নয়। তাইতো মুমিন মুসলমান ভবিষ্যতের কোনো কাজের কথা বলতে গিয়ে ‘ইন শা আল্লাহ’ বলে থাকেন। কিন্তু এই ইন শা আল্লাহ কী? এর অর্থইবা কী? ‘ইন শা আল্লাহ’ শব্দের অর্থ হলো- যদি আল্লাহ তাআলা চান। অর্থাৎ যদি আল্লাহ চান তাহলে আমি এই.. এই.. কাজ করব কিংবা এই.. এই.. কাজ হবে।ইসলামে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আদব।  কুরআনে ‘ইন শা আল্লাহ’র ব্যবহার বাস্তব জীবনে ইন শা আল্লাহর ব্যবহার কেমন হবে, আল্লাহ তাআলা নিজেই কুরআনে তা তুলে ধরেছেন এভাবে- لَقَدْ صَدَقَ اللَّهُ رَسُولَهُ الرُّؤْيَا بِالْحَقِّ لَتَدْخُلُنَّ الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ إِن شَاء اللَّهُ آمِنِينَ مُحَلِّقِينَ رُؤُوسَكُمْ وَمُقَصِّرِينَ لَا تَخَافُونَ فَعَلِمَ مَا لَمْ تَعْلَمُوا فَجَعَلَ مِن دُونِ ذَلِكَ فَتْحًا قَرِيبًا আল্লাহ তাঁর রাসুলকে সত্য স্বপ্ন দেখিয়েছেন। যদি আল্লাহ চান; তো তোমরা অবশ্যই মসজিদে হারামে প্রবেশ করবে। নিরাপদে মস্তকমুণ্ডিত অবস্থায় এবং চুল কর্তিত অবস্থায়। তোমরা কাউকে ভয় করবে না। অতঃপর তিনি জানেন যা তোমরা জান না। এছাড়াও তিনি দিয়েছেন তোমাদেরকে একটি আসন্ন বিজয়।’ (সুরা ফাতহ : আয়াত ২৭) কুরআনে ‘ইন শা আল্লাহ’ বলার নির্দেশ আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে রাসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ইন শা আল্লাহ বলার নির্দেশ দিয়েছেন এভাবে- وَلَا تَقُولَنَّ لِشَيْءٍ إِنِّي فَاعِلٌ ذَلِكَ غَدًا إِلَّا أَن يَشَاء اللَّهُ وَاذْكُر رَّبَّكَ إِذَا نَسِيتَ وَقُلْ عَسَى أَن يَهْدِيَنِ رَبِّي لِأَقْرَبَ مِنْ هَذَا رَشَدًا ‘(হে রাসুল!) আপনি ‘ইন শা আল্লাহ’ বলা ব্যতিত কোনো জিনিসের ব্যাপারে কখনো একথা বলবেন না যে, আমি আগামীকাল এ কাজটি করবো৷ যদি ভুলে এমন কথা মুখ থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে সাথে সাথেই নিজের রবকে স্মরণ করুন এবং বলুন- আশা করা যায়, আমার রব এ ব্যাপারে সত্যের নিকটতর কথার দিকে আমাকে পথ দেখিয়ে দেবেন৷’ (সুরা কাহফ : আয়াত ২৩-২৪) ‘ইন শা আল্লাহ বলার গুরুত্ব ও ফজিলত ‘ইন শা আল্লাহ’ বলার মাধ্যমে বান্দার বিনয়, আকুতি এবং আল্লাহ তাআলার উপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল বা ভরসা প্রকাশ পায়। ভবিষ্যতের কোনো কাজের ইচ্ছা পোষণের ক্ষেত্রে, আল্লাহর নাম নেয়া থেকে বিরত থাকলে বান্দার ঔদ্ধত্য-অহংকার প্রকাশ পায়। যা তার কথা ও কাজকে বরকতহীন বানিয়ে দেয়। তাই সব মুমিন মুসলমানের উচিত, ভবিষ্যতের যে কোনো কথা বলা ও কাজের করার ঘোষণা দেওয়ার আগে ‘ইন শা আল্লাহ’ বলার আমলকে একান্ত অভ্যাসে পরিণত করা। নিজ নিজ পরিবারের শিশু-কিশোর; ছোট-বড় সব সদস্যদের এ কুরআনিক আদব ও নির্দেশকে অভ্যাসে পরিণত করার সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রাখা। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে আল্লাহর ওপর পরিপূর্ণ আস্থা, বিশ্বাস ও অনুভূতির সঙ্গে ‘ইন শা আল্লাহ’ বলার এবং এটাকে সব সময়ের জন্য অভ্যাসে পরিণত করে তার নির্দেশ বাস্তবায়ন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এ বিভাগের আরও খবর...

পুরাতন খবর

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০  

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০  
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | নগর সংবাদ
Design & Developed BY:
ThemesCell