স্টাফ রিপোর্টার।। “শিক্ষার জন্য এসো-সেবার জন্য বেড়িয়ে যাও” শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, শিক্ষা অর্জনে আনুষ্ঠানিক শিক্ষার গুরুত্ব অনস্বীকার্য আর আনুষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা চৌহালীতে খাষকাউলিয়া কে আর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের কোন বিকল্প নেই।
১৯৪২ সালে চৌহালী উপজেলায় খাষকাউলিয়া মৌজায় ৬ একর ১৩ শতক জমিত জুরে কে আর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়টির যাত্রা শুরু হয়। বর্তমান সময়ে শিক্ষক ও জনবল (সংকট) সল্পতা, বাউন্ডারি ওয়াল, ল্যাব সামগ্রীর অভাব, কম্পিউটার ল্যাব ও শিক্ষক ও জনবল সংকটে থাকায় প্রায় ৩’শ শিক্ষার্থীর পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে যার বাস্তবচিত্র সরেজমিন। চৌহালী উপজেলায় পশ্চাৎপদ অনগ্রসর বিশাল গ্রামীন জনঘোষ্টির উচ্চ শিক্ষার কথা বিবেচনা করে তৎকালীন সময়ে এলাকার একঝাঁক গুনিজনদের নেতৃত্বে এবং তাদের ঐকান্তক প্রচেষ্টায় ১৯৪২ সালে খাষকাউলিয়া কে আর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়।
২০১৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর বিদ্যালটি জাতীয় করনের আদেশ প্রাপ্ত হয়ে এক সময়ের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আজ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি শিরীষগাছ গুলের মতই দেশে শিক্ষায় অবদান রেখে বীরদর্পে দাড়িয়ে আছে। নানা সমস্যার বেড়াজালে আটকা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়টি। বর্তমান সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো, শফি উদ্দিন আহমেদ ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন চৌহালীর ইউএনও মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। বিদ্যালয়ের সফলতার সাথে পথ চলার ৮৩ ষ, বর্তমান সময়ে শিক্ষক না থাকায় পড়াশোনায় হোচট খেতে হচ্ছে। শিক্ষক সংকট সত্ত্বেও এ বছরও রেজাল্ট জিপিএ-৫ সহ পাশের হার সন্তষ্টজনক। স্কুলে সুনাম ও ছাত্র ছাত্রীদের পাঠদান অব্যাহত রাখতে দ্রুত শিক্ষক ও জনবল নিয়োগ দিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাচান এমনটাই দাবি করেন অভিভাবক জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল।
সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয়, ৪ থেকে ৬ জন জনবল দিয়ে চলছে পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। ১৯৮৫ সালে চৌহালীর এ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল তা চলে ১৯৯৯সাল পর্যন্ত। সাজানো গোছানো পরিপাটিতে অপরুপ সৌন্দর্যে ৬ একর ১৩ শতক ভুমিতে একটি পুকুর, ৪তলা বিশিষ্ট ভবন, ৪টা সেমি ভবন, ২টা টিনসেট ঘর,১টি মসজিদ ও অর্ধেক বাউন্ডারি ওয়াল এ বিদ্যালয়ে। এখানে প্রায় ৩’শ শিক্ষার্থীর পাঠদান চলছে মাত্র ৪ জন শিক্ষক দিয়ে।
তথ্য সূত্র অনুযায়ী এ বিদ্যালয়ে ২৬/৩৬ জন জনবল থাকার কথা। প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মো, শফি উদ্দিন আহমেদ এ প্রতিবেদককে বলেন, বিদ্যালয় পরিদর্শন করেও কেউই মনে রাখে না, উপজেলার সাজানো গোছানো পরিপাটি ও মনোনয়ন পরিবেশ অথচ জনবল সংকটে পাঠদানে হোচট খেতে হচ্ছে। আমরা সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি এবং শিক্ষক চেয়ে আবেদন করে আসছি। আমরা সবই বিশ্বাস করি, শিক্ষক দিন প্রতিষ্ঠান বাচান, চৌহালী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়টি নিজের ও অ্যালামনাইদের কর্মের মাধ্যমে স্বমহিমায় যুগ যুগ ধরে টিকে থাক।